My Sports App Download


এক পার্টনারশিপেই হার ভারতের, মিচেলের সেঞ্চুরিতে সিরিজ়ে সমতা ফেরাল নিউ জ়িল্যান্ড

জয় দিয়ে সিরিজ় শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হারের মুখ দেখল ভারত। রাজকোটে দ্বিতীয় ম্যাচটা সহজেই জিতে গেল নিউ জ়িল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারের মধ্যে ৪৭.৩ ওভারে হাতে সাত উইকেট রেখে জয়ের জন্য রান তুলে নেয়। সৌজন্যে ড্যারিল মিচেল ও উইল ইয়ংয়ের জুটি। কেএল রাহুলের সেঞ্চুরিকে ফিকে করে দলকে ম্যাচ জেতালেন ড্যারিল মিচেল।

প্রথমে ব্যাট করে ভারত ২৮৪ রান করার পর প্রশ্নটা ছিলই। কারণ নিউ জ়িল্যান্ড দলকে হারাতে গেলে আরও বেশি রানের টার্গেট দিতে হতো। তবে রাজকোটের পিচে ছয় বোলারকে খেলানোয় আশা করা হয়েছিল হয়তো আটকানো যাবে কিউয়িদের। কিন্তু ছয় বোলার মিলেও পারলেন না।

এ দিন ম্যাচের শুরুটা টলমল হয় নিউ জ়িল্যান্ডের। হর্ষিত রানা দুর্দান্ত স্পেলে ক্লিন বোল্ড করেন ডেভন কনওয়েকে। ১৬ রানে কনওয়ে আউট হন। এর পর হেনরি নিকোলাসকে ১০ রানে বোল্ড করেন প্রসিধ কৃষ্ণ। ১২.২ ওভারে ৪৬ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারিয়ে নিউ জ়িল্যান্ড তখন ধুঁকছে। সেই সময়েই খেলাটা নিজেদের দিকে নিয়ে যান উইল ইয়ং ও ড্যারিল মিচেল। ৪৬ থেকে এই জুটি দলের রান নিয়ে যায় ২০৮-এ। ১৫২ বলে ১৬২ রানের পার্টনারশিপ করে। ৯৮ বলে ৮৭ রান করে উইল ইয়ং আউট হওয়ার পর গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে পার্টনারশিপ করেন ড্যারিল মিচেল। তবে ড্যারিল মিচেল হয়তো এত রান করতে পারতেন না। তিনি যখন ৮০ রানে ব্যাট করছিলেন তখন তাঁর ক্যাচ মিস করেন প্রসিধ কৃষ্ণ।

শেষ পর্যন্ত ১১৭ বলে ১৩১ রানে অপরাজিত থাকেন ড্যারিল মিচেল। গ্লেন ফিলিপস ২৫ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে হতাশ করেন ভারতের বোলিং। ছয় জন বোলার মাত্র তিনটে উইকেট ফেলতে পারেন। হর্ষিত রানা, প্রসিধ কৃষ্ণ ও কুলদীপ যাদব একটি করে উইকেট নেন। আর কেউ উইকেট পাননি। এই ম্যাচ হারের ফলে সিরিজ়ের শেষ ম্যাচটা ডু অর ডাই হয়ে গেল ভারতের। সিরিজ়ের শেষ ম্যাচ ১৮ জানুয়ারি ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে।