বিশ্বকাপ

পাকিস্তানের ফিল্ডিং রাবিশ : রমিজ রাজা


ভালো ফিল্ডিং দল হিসেবে পাকিস্তানের সুখ্যাতি ছিল না কখনোই। এক আসিফ আলীই সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন দুটি, একটু চেষ্টা করলে ধরতে পারতেন আরেকটি ক্যাচ। চোখের সামনে নিজ দেশের ফিল্ডিংয়ের এমন দুরবস্থা দেখে আর স্থির থাকতে পারেননি রমিজ রাজা। কোনো রাখঢাক না রেখেই পাকিস্তানের ফিল্ডিংকে ‘রাবিশ’ বলে দিয়েছেন।

২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে টন্টনে ধারাভাষ্যকক্ষে বসে নিজ চোখেই পাকিস্তানের ফিল্ডিংয়ের করুণ অবস্থা দেখেছেন রমিজ রাজা। ধারাভাষ্যের সময় তো বলেছেনই, পরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন টুইটারে, ‘আমি কারোর মনে আঘাত করতে চাই না, কিন্তু পাকিস্তানের এই ফিল্ডিং এক কথায় রাবিশ!’

রমিজের ক্ষুব্ধ হওয়াটাই অবশ্য স্বাভাবিক। ম্যাচে খুব দৃষ্টিকটু দুটি ক্যাচ মিস করেছেন আসিফ আলী। প্রথমটি ১৩তম ওভারে। অ্যারন ফিঞ্চ সবে ভয়ংকর হয়ে উঠতে শুরু করেছেন। ওয়াহাব রিয়াজের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক। সহজ ক্যাচটি ধরতে তো পারেননিই, মিস করে বরং সেটিকে ৪ বানিয়েছেন আসিফ। ২৬ রানে থাকা ফিঞ্চ শেষ পর্যন্ত করেছেন ৮২ রান।

কোন ফিল্ডার দলের হয়ে কত রান বাঁচালেন বা কত রান বাঁচাতে পারেননি, ম্যাচ চলাকালে টিভি পর্দায় সে রকম একটি পরিসংখ্যান দেখানো হয়। সেই পরিসংখ্যান বলছে, কেবল দুই ম্যাচেই আসিফের কারণে ২৬ রান অতিরিক্ত গুনতে হয়েছে পাকিস্তানকে! ৩০ গজের ভেতরে ৮ রান, আর বাউন্ডারিতে আসিফের হাত গলে বেরিয়েছে আরও ১৮ রান। পাকিস্তানিদের ফিল্ডিংয়ের দুর্দশার চিত্রই যেন তুলে ধরছে এই পরিসংখ্যান।



তাসকিনের ওপর নাখোশ সুজন

তাসকিনের ওপর নাখোশ সুজন

তাসকিনের ওপর নাখোশ সুজন



উইন্ডিজ বিশ্বকাপ দলে গেইল-রাসেল

উইন্ডিজ বিশ্বকাপ দলে গেইল-রাসেল

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেল, এভিন লুইস